হবিগঞ্জে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি, ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

বিডিপ্রেস এজেন্সি,হবিগন্ঞ্জ : শীত এলেই যেন হবিগঞ্জ শহরসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে বেড়ে যায় চোরদের উপদ্রব। কনকনে ঠান্ডা আর ঘনকুয়াশার আড়ালে জমে উঠে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের দৌড়াত্ব।গত বুধবার দিবাগত রাতে শহরের প্রধান সড়কের তিনকোনা পুকুর পাড় ও সিনেমাহল এলাকায় একই রাতে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি সংঘটিত হয়।এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের প্রধান সড়কের সিনেমাহল রোড মোড়ে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা জড়ো হয়ে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পুলিশী তৎপরতা না বাড়ানোর কারণেই শহরে একের পর এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি সংঘটিত হচ্ছে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিত ব্যকস সভাপতি শামছুল হুদাসহ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।জানা যায়, বুধবার গভীররাতে শহরের প্রধান সড়ক তিনকোনা পুকুর পাড় এলাকার খাজা ক্লথ স্টোর, শাপলা স্টোর ও গরীবে নেওয়াজ স্টোরে চুরি করে একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল। চোরেরা তিন দোকানের তালা ও জানালা ভেঙ্গে নগদ ১ লাখ টাকা এবং সিগারেট বক্স, কাপড়ছোপড় ও মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার সিনেমা হল রোডের বন্ধন রেষ্ট হাউজ এলাকা থেকে উত্তর শ্যামলী এলাকার বাসিন্দা রুবেল মিয়া (২০) ও মোহনপুর এলাকার বাতির মিয়া (২২) নামে দুই যুবককে চোর সন্দেহে আটক করে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।ব্যকস সভাপতি শামছুল হুদা জানান, শহরে ইদানিং বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

আর এতে করে ব্যবাসায়ীদের মধ্যে চোর আতঙ্ক বিরাজ করছে।কিছুদিন আগেও কালীবাড়ি এলাকার ইজি দুঃসাহসিক চুরি হয়।তিনি আরো জানান, ইতোপূর্বে কয়েকটি দোকানে চুরি হলেও চুরি যাওয়া কোনো মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় চোরেরা আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, চোরদের ধরতে ও চোরাই মালামাল উদ্ধার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/টিএস

আরও পড়ুন...