স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধ তাই কর্ম করে খাচ্ছি

তাজুল ইসলাম মিয়াজী,বিডিপ্রেস এজেন্সি,কুমিল্লা : সারাদেশে স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধ তাই ছাত্ররা বসে না থেকে কর্ম করে চলছে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, এমনকি গ্রামগঞ্জেসহ বিভিন্ন এলাকায়। কুমিল্লা জেলা ও উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, স্কুল-মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রদের বিভিন্ন্ স্থানে অটোরিকশা, মিশুক চালাচ্ছে। কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, শতকরা ৮০ ভাগ ছাত্র মিশুক চালিয়ে জীবনযাপন করছে, যাদের বয়স ১৩-১৪ বছর ।

নাঙ্গলকোট উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় ও হাট বাজারে দেখা যায, স্কুল ও মাদ্রাসার ছাত্ররা বেশির ভাগই” ছাত্ররা মিশুক চালিয়ে ও বিভিন্ন কর্মকরে চলছে যাদের বয়স মাত্র ১৩-১৪ কিন বা ১৪-১৫ বছর মাত্র। উপজেলা নাঙ্গলকোট পৌর এলাকায় ও আশেপাশে থাকা শান্তির বাজার,মাহিনী বাজার, বাঙ্গডা বাজার, মোকরা,সরকার বাজার,ডালুয়া বাজার, সহ বিভিন্ন হাট বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে ছাত্ররা অটোরিকশা ও মিশুক চালিয়ে জীবন যাপন করছে, তাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে সারকার আমাদের স্কুল- মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে , আমরা এখন কি করবো, রাত্রে পড়াশোনা করে দিনে কি করবো, নিজের হাত খরছের জন্য বাবার কাছে চাইতে ও পারিনা, করোনার কারণে বাবার ও আয় রোজগার কম, তাই পরিবারের ও নিজের হাত খরচের কথা চিন্তা করে মিশুক চালিয়ে নিজে ও চলছি পরিবরিকে ও কিছু দিচ্ছি। এতে বাবার ও কিছুটা চিন্তা থেকে মুক্তী হচ্ছে ,এবং নিজে ও হাত খরচটাও চলছে।

পড়াশোনার ব্যপারে জিজ্ঞাষা করলে , ছাত্ররা বলেন, সরকার কবে কখন স্কুল খুলবে তার কোন নিধিষ্ঠ সময়নেই, আর খুললে ও আগের মত হয়তো পড়াশোনায় মন দিতে পারবোনা কিনা জানিনা ,তবে স্কুল খুললে আবার স্কুলে যাবার চেষ্ঠ করবো।

এ বিষয় কুমিল্লা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা ছাত্রদের সাথে কথা বললে তারা ও একই কথা জানিয়েছেন। তবে কেউ জানিয়েছেন স্কুল খোলা হলে স্কুলে যাবে ,আবার কেউ জানিয়েছে সরকার স্কুল খুললেও হয়তো আগের মত পড়াশোনায় মন বসাথে পারবে কি না এ নিয়ে ভাবনা তাদের। কারণ এখন কর্ম করতে শিখেছি স্কুল খুলে ও কি আর না খুলেও কি, আমাদের জীবন নষ্ট হতে পড়েছে, আমদের ভবিষ্যৎ কিভাবে যাবে আমরা নিজে ও যানিনা। তাই সরকারের কাছে আবেদন আমাদের স্কুল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খুলে দেওয়া হক।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/এনএস

আরও পড়ুন...