সুন্দরগঞ্জে হোটেলে খাবার খেয়ে অসুস্থ ১৫

বিডিপ্রেস এজেন্সি,সুন্দরগঞ্জ,গাইবান্ধা : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি নামী-দামী হোটেলে খাবার খেয়ে ৩ শিশুসহ অসুস্থ্য হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। জানা যায়, গত ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলা শহরের ঐ নামী হোটেলে প্রস্তুতকৃত খাবারের মধ্যে গ্রিল ও নানরুটি খেয়ে এ অসুস্থ্যতা ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ্যদের মধ্যে পশ্চিম বেলকা গ্রামের জাকারিয়া হোসেন মোবাইলফোনে জানান, তিনি গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের নামী-দামী একটি হোটেলে প্রস্তুতকৃত খাবরের মধ্যে নানরুটি ও গ্রিল কিনে বাড়ি গিয়ে ছেলে তালহা যোবায়ের (৬) ও মেয়ে হালিমাতুস-সাদিয়া তাছমিন (৩) মিলে খেয়ে নেন।

এরপর বমি ও পাতলা পায়খানা শুরু হয়। শিশু ছেলেসহ জাকারিয়া হোসেন বর্তমানে সুস্থ্য হলেও তার মেয়ে এখনো অসুস্থ্য। থানায় কর্মরত একজন উপ-পুলিশ পরিদর্শক জানান, তিনি গত ১৭ সেপ্টম্বর রাতে ঐ (একই) হোটেলের প্রস্তুতকৃত গ্রিল ও নানরুটি খেয়ে রাতে পাতলা পায়খানা ও বমি করতে করতে মারাত্মকভাবে অসুস্থ্য হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকের দেয়া চিকিৎসা নেন। চিকিৎসকের দেয়া ব্যবস্থাপত্র মোতাবেক তাঁকে ১ মাস ঔষধ সেবন করতে হবে।

তিনি আরও জানান সুস্থ্য হয়ে হোটেলের ক্যাশিয়ারকে এ বিষয়ে বিশষভাবে বলছি। কিন্তু, কোন গুরুত্ব দেয়নি। এদিকে, উপজেলার এক সরকারী দপ্তরের একজন অফিস সহকারীসহ ৫জন গত ১৮ সেপ্টম্বর রাতে ঐ (একই) হোটেলের প্রস্তুতকৃত গ্রিল ও মানরুটি খাবার পর কিছু পরিমাণ বাসায় নিয়ে গিয়ে শিশুকে খাওয়ান। তা খেয়ে দাঁর শিশু কন্যা অসুস্থ্য হয়।

এছাড়া, অন্যান্যরা অসুস্থ্য হয়ে তারা সকলেই নিজ নিজ অবস্থানে প্রাথমিক চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে উঠেন। গত ২২ সেপ্টম্বর রাত সরে ৯টার পর থেকে রাত পৌণে ১০টার থধ্যে মোবাইলফোণে কয়েক দফা কথা হলে হোটেলটির ম্যানেজার জানান, হোটেলে প্রস্তুতকৃত সব ধরণের খাবারের মান দেখে গ্রাহকদেরকে খেতে দেয়া হয়।

এ ধরণের কোন অভিযোগ পাইনি। উপজেলা সেনিটারী ইন্সপেক্টর শহিদুর রহমানের কাছ থেকে মোবাইলফোণে হোটেলগুলোতে প্রস্তুত ও পরিবেশিত খাবারের মান নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, হোটেল রেস্তোরা বা রেষ্টুরেন্টগুলোতে প্রস্তত ও পরিবেশিত খাবারের মান নিরীক্ষা করার মতো কোন যন্ত্রপাতি এখানে নেই।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/টিআই

আরও পড়ুন...