রাত পোহালেই ঈদুল আযহা

বিডিপ্রেস এজেন্সি : রাত পোহালেই মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং যথাযথ ধর্মীয় মর্যদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে সারাদেশে মুসলিম সম্প্রদায় ঈদুল আযহা উদযাপন করবে।

মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ঈদুল আযহার জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ অনুয়ায়ি পশু কোরবানি করবেন।

মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদও পৃথক বার্তায় দেশবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৬টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৭টায়। এরপর পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় ৭টা ৫০ মিনিট, তৃতীয় ৮টা ৪৫ মিনিট, চতুর্থ ৯টা ৩৫ মিনিট, পঞ্চম ১০টা ৩০ মিনিট, ষষ্ঠ ও সর্বশেষ জামাত ১১টা ১০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এদিকে রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে ৩টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমটি সকাল ৬টায়, দ্বিতীয়টি ৮টায় এবং তৃতীয়টি ১০টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মিরপুরের কাজীপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ৩টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমটি সকাল ৭টায়, দ্বিতীয়টি ৮টায় এবং তৃতীয়টি ৮টা ৪৫ মিনিটে হবে। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার মসজিদ এবং ধানমণ্ডি ঈদগাহ মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বব্যাপী করোনার প্রেক্ষাপটে ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আজহার নামাজের জামাতও খোলা জায়গার পরিবর্তে কাছের মসজিদে আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
ঈদের নামাজের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

মুসল্লিরা নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। প্রত্যেককে অজু করে মসজিদে আসতে হবে এবং অজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

করোনার সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত করতে মসজিদে অজুর স্থানে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে এবং মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে। এছাড়া মসজিদে আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরেতে হবে।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/আইজেএস

আরও পড়ুন...