‘দেহে আঘাতের চিহ্ন, প্রতিবাদী অশ্রুসিক্ত চোখ, মুখে নির্মল হাসি, আমি সেই রক্তাক্ত ফিলিস্তিনি’

আমরীন মেহবুবা সুলতানা : মসজিদুল আল আকসা প্রান্তরের সেই রক্তাক্ত ফিলিস্তিনি আমি। নির্ভীক প্রতিবাদী ক্ষুব্ধ চোখ, নির্মল প্রাণবন্ত হাসি জানান দেয় আমরা ফিলিস্তিনি। ফিলিস্তিনিরা জালিমদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে প্রতিবাদ করতে জানে। একজন ফিলিস্তিনের কাছে প্রিয় মানুষ এবং স্বজন হারানোর যন্ত্রণা বুলেটের আঘাতের চেয়েও বেশি যন্ত্রণাদায়ক। ফিলিস্তিনি মায়েরা যোদ্ধা, কারণ তারা প্রতিনিয়তই সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছেন। অন্যায় জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, জান দিয়ে শহীদ হবো কিন্তু জুলুম আর জালিমের কাছে মাথা নোয়াবে না। মায়েরা শিশুসন্তানদের বলেন, তোরা বড় হয়ে মসজিদুল আল আকসার তরবারি হোবি, আর কালেমা শিক্ষা ও দেন-যেন যেকোনো সময় মৃত্যু আসলে কালেমা পড়ে শাহাদাত বরণ করতে পারে। ফিলিস্তিনি শিশুরা কাল্পনিক গল্প শুনে নয়, যুদ্ধ দেখে বড় হয়েছে।

তারা বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করতেও ভয় পায় না। যুগে যুগে ইতিহাস তারাই বদলেছে যারা অসম্ভবকে সম্ভব করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। মসজিদুল আল আকসার দেয়ালে লেগে থাকা প্রতিটা রক্তের দাগ সাক্ষী দেয় যে, নামাজরত মানুষগুলোর উপর কতটা বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে ইহুদি কাফেররা। যোদ্ধার বীরের সহিত যুদ্ধ করে। শত্রুর চোখে চোখ রেখে অধিকার আদায়ের জন্য শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করে যায়। আর কাপুরুষরা নিরীহ নিরস্ত্র মানুষের উপর হামলা করে, জুলুম অত্যাচার করে দখলদারিত্ব নিতে চাই। অবুঝ শিশু আর নিরীহ মানুষদের উপর অতর্কিত হামলার নাম যদি যুদ্ধ হয়ে থাকে, তাহলে তোমরা আর যাই হও না কেন, আর যতই যুদ্ধের সরঞ্জাম এর মজুদ থাকুক না কেন তোমরা কোন যোদ্ধা না। প্রতিটা মানুষেরই স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার আছে।

যুদ্ধের নামে পাশবিক নির্যাতন আর নয়, জুলুম-নির্যাতনের দাফন আবশ্যক। ভুলে যেও না মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। জালিম ইহুদীরা শুনে রাখো, যতই অত্যাচার-নিপীড়ন করো না কেন, ফিলিস্তিনিদের মুখের হাসি আর মনের সাহস তোমরা কখনই কেড়ে নিতে পারবে না। কারণ, এইটা যে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তারই দান। বিশ্ববাসী মনে রাখবে, এই শহীদ ভাইবোনদের কথা। রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। আল আকসার প্রান্তর তার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তোমাদের পাশবিক নির্যাতন আর অমানবিক অত্যাচার জানান দেয় যে তোমাদের মধ্যে মনুষত্ব আর বিবেক বলে কিছু নেই। মানুষের বাসস্থান, হাসপাতাল, স্কুল এমনকি পবিত্র মসজিদুল আল আকসাও জালিমের জুলুম থেকে রক্ষা পায়নি।

এগারো বছর বয়সী রাফেফ আবু দায়েরের গুরুতর আহত দেহটা দেখে ও কি তোমাদের মনে একটু দয়া জন্মালো না? আল-শাওয়া ভবনে বিমান হামলায় বহু নারী শিশু আহত এবং নিহত হয়েছিলেন। সবাই কংক্রিটের নিচে থেকে ক্ষতবিক্ষত মানুষগুলোকে টেনে তোলায় যখন ব্যস্ত, তখন রাফেফের রক্তাক্ত দেহটি তার বাবা কংক্রিটের নিচে থেকে বের করে, কোলে নিয়ে আল শিফা হাসপাতালের দিকে ছুটেছেন মেয়েকে বাঁচানোর আশায়। কিন্তু হাসপাতালে গেটের সামনে গিয়ে বুঝতে পারলেন রাফেফ দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে।

তার বাবা কংক্রিটের ভাঙ্গা দেয়াল সরাতে পেরেছেন কিন্তু এখন নিজের মৃত মেয়ের ভার বহন করাই যেন তার কাছে অসহনীয় হয়ে পড়েছে। মেয়ের মৃতদেহটি নিয়ে হাসপাতালে দেয়ালে বসে বাবার এই চিৎকার করে কান্নার শব্দ কি জালিমদের কানে আজও পৌঁছায়নি? আমার এই বোনের মৃত্যুর দায় তোমাদের নিতে হবে। আর মসজিদুল আল আকসার প্রান্তরের যে ভাইয়ের সাথে সালাত আদায় করতে গিয়েছিলাম, সেই ভাইয়ের রক্তাক্ত লাশ কাঁধে নিয়ে বাসায় ফেরার যন্ত্রনা জালিমরা জানেনা। আমি জালিমদের হাত থেকে বাঁচাতে পারিনি আমার ভাইকে। গাজায় সংঘটিত বোমা হামলায় মোহাম্মদ আল হাদিদি তার স্ত্রী এবং চার সন্তানকে হারিয়েছেন, শুধু মাত্র ছয় মাসের শিশু সন্তানটি বেঁচে আছে।

আবু হাতাব ফ্যামিলি ৭ জন সদস্যের মধ্যে এখন কেবল মাত্র দুইজন বেঁচে রয়েছেন। ক্ষুধার্থ শিশুটিকে কোলে নিয়ে আল-হাদিদির সেই অশ্রুসিক্ত চোখ, স্বজন হারানোর নির্মম বর্ণনা ও নিষ্পাপ শিশুটির কান্না দেখে হাসপাতালে চিকিৎসকরা অঝোরে কেঁদেছেন। আমাদেরই ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বোন রিমা সাঈদ এর কথা কি ভুলা যায়? ইহুদি কাফেররা তার দুটি সন্তানসহ তাকেও হত্যা করেছে আর সন্তানসম্ভবা বোনটির পেটে থাকা শিশুটি দুনিয়ার আলো দেখার আগেই জালিমরা তাকে শহীদ করেছে। এই জুলুম অত্যাচার দেখে দুনিয়ার সকল নির্মমতা ও হার মানবে।

রক্তমাংসে গড়া মানুষগুলো পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট হয় কিভাবে? আর পাষাণ হৃদয়গুলোতে কি বিন্দু পরিমানও মানবিকতা নাই? আমাদের বাসায় ঢুকে জোরপূর্বক গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেয়ে জেলে পাশবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। এত জুলুম অত্যাচার করেও কি নিস্তার নেই? আর দীর্ঘ নয় মাস মোহাম্মদ নুসায়ের অপেক্ষা করেছে তার প্রথম শিশুসন্তানকে দেখার জন্য। কিন্তু তার জন্মের কয়েক ঘন্টা পূর্বে গাজায় অতর্কিত বোমা হামলায় ২৮ জন ফিলিস্তিনি এবং ১০ জন শিশু শহীদ হন। যাদের মধ্যে ভাই নুসায়েরও ছিল। নিজের সন্তানকে দেখার সুযোগ সে পেলো না, আরো শিশুটিও দেখতে পেলো না কে তার বাবা। শুধুমাত্র এটাই জেনে গেল যে আমার জন্মের দিনেই জালিমরা আমার বাবাকে শহীদ করেছে।

প্রতিটি পরিবারেই আছে স্বজন হারানোর কষ্ট আর নির্মম বাস্তবতা। ওডালা গ্রামে বসবাসরত ১৬ বছর বয়সী সাঈদ ওডের স্বপ্ন ছিল বড় একজন বড় ফুটবলার হওয়ার। ইসরাইলি বাহিনী তাদের গ্রামে বুলেট এবং টিয়ার গ্যাস দিয়ে হামলা চালায়। সেইখানে সাঈদ ওডেও শহীদ হয়। সে যত মানুষের স্বপ্ন দেখত তার খেলা দেখার, তার চেয়েও বেশি মানুষ আজ তার জানাযার নামাযে শরিক হয়েছেন। গাজার একের পর এক বোমা হামলায় আহত, মুমূর্ষ মানুষগুলোকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে। আর শিশুরা গুরুতরভাবে আহত হয়েছে।

কারণ অধিকাংশ শিশুরই বোমার আঘাতে হাত পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হঠাৎ বিকট আওয়াজ হলো, চারিদিক কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে গেল। আর কিছু চিকিৎসক জান নিয়ে অক্ষত অবস্থায় বাহিরে আসতে সক্ষম হলেন। রক্তাক্ত অ্যাপ্রোনটা পরেই অপলোক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। মুহূর্তের মধ্যেই থেমে গেল সব কান্না আর আহাজারি। পুরো জায়গাটা যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হল। ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল নাদিন আবদেল তায়েফের। কিন্তু এখন সে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ি, আর স্বজন হারানোর কষ্টের কথা, নিজেদের অসহায়ত্বের কথা বর্ণনা করছে। আর কতো মৃত্যু, আর কত কান্না যে দেখতে হব, তারা নিজেরাই জানেনা। মৃত্যুকে খুব সামনে থেকে দেখা মানুষগুলোর মধ্যে ঈমানী শক্তি এতটাই প্রখর যে নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়ির উপর দাঁড়িয়ে শত্রুর চোখে চোখ রেখে আযান দিতেও দ্বিধাবোধ করে না।

মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েও তারা সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করে সেজদা দিতে জানে। ঈদের উপলক্ষে মোঃ যায়েদ তার বাবা, চাচা এবং কিছু আত্মীয়দের বাসায় দাওয়াত করেছিলেন। সবাই খাবারের টেবিলে বসে তার বাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু তার বাবা পাশের রুমে বসে কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করছিলেন। হঠাৎ প্রচন্ড শব্দে সব ভেঙ্গে পড়া শুরু করল, আর মনে হচ্ছিল যেন পাথর বৃষ্টি হচ্ছে আর চারিদিক কালো আর বিষাক্ত ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে। জায়েদ দৌড়ে পাশের রুমে গিয়ে দেখল চারিদিকে রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে, আর তার বাবার দেহটি মাটিতে পড়ে আছে কিন্তু দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

আরেক দিকে তাকিয়ে দেখল বড় একজন বোন কাঁদছে এবং তার কোলে ছোট্ট একটি শিশু রয়েছে যার দুটো পা-ই কেটে গিয়েছিল। মৃত্যু কতটা নৃশংস হতে পারে যায়েদ তা নিজের চোখের সামনে দেখেছে। ফিলিস্তিনি এক ভাই নিজের হাতে প্রিয় ভালোবাসার মানুষটিকে কবর দিচ্ছিলেন। সায়মা নামের একটি মেয়েকে সে ভালোবাসতো। দুই বছর আগে তাদের আংটি বদল হয়েছে। ঈদের পরে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। সে ডেন্টিস ছিল। দুই মাস ধরে তারা নিজেদের থাকার জন্য একটি ফ্ল্যাটও তৈরি করেছিলো। কিন্তু গাজায় বোমা হামলায় সায়মা নিহত হয়। শেষ

কথা বলা বা দেখার সুযোগটিও তাদের হয়নি। সায়মাকে কবর দেওয়ার সময় ভাইটি বলছিল, সায়মা তুমি তো আমার চেয়েও বেশি সাহসী, তুমি শহীদের মর্যাদা পেয়েছো। সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া কারণ, আল্লাহ পাক তোমাকে সম্মানিত করেছেন। ঈমানদার ভাইটিকে এতকিছুর পরও আল্লাহ পাকের শুকরিয়া আদায় করছে। গাজায় প্রত্যেকটা মানুষের ঘরে সৌখিন জিনিস নাও থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি ঘরে গেলেই একজন শহীদ সম্পর্কে জানতে পারবেন। ঈদে নতুন কাপড় আর জুতা কিনার জন্য ৮ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাবান মায়ের সাথে মার্কেটে যাচ্ছিল।

কিন্তু অতর্কিত ইসরায়েলি বোমা হামলায় সাবানের একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায় আরেকটি চোখ গুরুতরভাবে আহত হয়ে যায়। এখন সে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। দেখার ক্ষমতা তার নেই। এতটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত যে, ভয়ে আতঙ্কে সে নির্বাক হয়ে গেছে। তার মা নিজের ছেলের এই অবস্থা দেখে হতবম্ভ হয়ে গেছেন।মোহাম্মদ সাবান এখন আর নতুন কাপড় চায় না, সে বাঁচতে চাই। দুই চোখ দিয়ে দেখতে চাই। কিন্তু তাদের সামর্থ্য নেই বাইরের দেশে যে চিকিৎসা করানোর। ফিলিস্তিনিরা শিশু অবস্থায় নিজের মা বাবার মৃত্যু দেখেছে কেউ বা নিজের ভাই-বোনের নির্মম মৃত্যু দেখেছে। আর বাসার সামনে জায়গাটিতে বাবার সাথে ক্রিকেট খেলতো যেই ছেলেটা এখন সে বাবার লাশের পিছে দৌড়াচ্ছে শেষবারের মতো তার বাবাকে দেখার জন্য।

আজ পর্যন্ত জমিনের উপর ফিলিস্তিনিরা শান্তি পায়নি, কেবলমাত্র মৃত্যুতে নিস্তার পাওয়া যায়। মানুষের প্রতি বর্বরতা, পাশবিক নির্যাতন করে মানবতার বুলি উড়ানো মানুষরূপী অমানুষ গুলোর শাস্তি আজ হোক বা কাল দুনিয়ার বুকেই হবে। জনাব ইবনুল আরাবী বলেছিলেন, “যারা রক্ত দিয়ে নিজেদের পোশাক ভিজায়, তারাই ইতিহাস বদলায় ” যতই জুলুম করো না কেন জেনে রেখো এই ফিলিস্তিনিকে আমরাই একদিন মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ। প্রত্যেকটা শহীদদের রক্তের হিসাব তোমাদের দিতে হবে। যে করেই হোক নির্যাতন নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।

বন্ধ করতে হবে এই মৃত্যুর মিছিল। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে মুক্ত হবে ফিলিস্তিন। ক্ষতবিক্ষত দেহ তোমরা দেখেছো কিন্তু সেই রক্তাক্ত দেহের সক্ষমতা তোমরা দেখোনি। শান্তির ঘুম যদি আমাদের জন্য না হয়ে থাকে, তাহলে শান্তির মৃত্যুও তোমাদের জন্য নয়। প্রত্যেকটা শহীদ পরিবারের সন্তান জানে মৃত্যু যন্ত্রণা কি? আর প্রিয়জনের রক্তের মূল্য কতটুকু। যদি আখিরাতই আমাদের শান্তির ঠিকানা হয়ে থাকে, তাহলে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত মুক্তি পাওয়ার জন্য লড়াই করে যাবো। আমরা নিজের জীবনের পরোয়া করিনা।

কারণ, মৃত্যুভয় শহীদদের আর শহীদের সন্তানদের হৃদয়কে কখনও স্পর্শ করতে পারে না। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন, “শহীদদের রক্তের প্রথম ফোঁটাটি বের হতেই আল্লাহ পাক তাকে ক্ষমা করেন এবং জান্নাতে তার ঠিকানা দেখানো হয়”। ইয়া মালিক মাওলা আমাদের প্রতি রহম করুন। আমাদের দুঃখ সহ্য করার সামর্থ্য দিন, এবং এই জালিমদের হাত থেকে রক্ষা করুন। উম্মাতে মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আপনার উম্মতের রক্তে আজ আল-আকসার জামিন রক্তাক্ত, আমাদের সাহায্য করুন ইয়া রাসুল আল্লাহ। শুধুমাত্র রক্ত দিয়ে না জীবন দিয়ে হলেও মসজিদুল আল আকসাকে আমরা রক্ষা করবো ইনশাল্লাহ। সেদিন আর বেশি দূরে নয়, বিজয় বিশ্বাসীদেরিই হয়।

লেখক : শিক্ষার্থী, কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (১ম বর্ষ)। 

বিডিপ্রেস এজেন্সি/শেখ রাহানাতুল্লাহ/টিআই

আরও পড়ুন...