দেশের পুঁজিবাজার বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না

বিডিপ্রেস এজেন্সি : গেলো দু মাস ধরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর প্রধান সূচক আটকে আছে ৫ হাজার পয়েন্টের নিচে। বাজার সংশ্লিষ্টরাও স্বীকার করছেন, করোনার প্রথম ধাক্কা কাটিয়ে বিশ্বের অন্যান্য পুঁজিবাজার যতোটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশে ততোটা হয়নি। এমনটাই মনে করেন মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইদুর রহমান। করোনা পরবর্তী বিশ্বপ্রেক্ষাপট ও পুঁজিবাজার নিয়ে সময় সংবাদকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, দু মাস আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ’র প্রধান সূচক ডিএসই-এক্স ছিলো ৫ হাজার ১১৬ পয়েন্ট। তারপর থেকে এক সপ্তাহ সূচক বাড়ে তো পরের সপ্তাহেই কমে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ডিএসই-এক্স বাড়ে ৯৬ পয়েন্ট কিন্তু তারপরের দুই সপ্তাহে এ সূচক কমেছে ৬৮ ও ৩৭ পয়েন্ট।

তবে এসময়ে বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা। গেল সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় ৭১ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১১ কোটি টাকায়। সর্বোচ্চ লেনদেন ছিলো শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবারে, ৯৮৮ কোটি টাকা। গেলো সপ্তাহেও ডিএসইর শরীয়াহ ও বাছাই সূচক দুই-ই কমেছে। করোনার প্রথম ধাক্কার পর ডিএসই’র প্রধান সূচকে প্রায় ১ হাজার পয়েন্ট যোগ হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ গত সপ্তাহে দর বাড়ার শীর্ষ ৫ প্রতিষ্ঠান ছিলো-সিএপিএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড, এসইএমএল আইবিবিএল ফান্ড, প্রাইম ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ভ্যানগার্ড এএমএল রুপালী ব্যাংক ফান্ড এবং এসইএমএল গ্রোথ ফান্ড। এদিকে, দাম হারানো প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে ছিলো- হামিদ ফেব্রিক্স, ডেল্টা স্পিনার্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ইনটেক লিমিটেড এবং বিডি ওয়েল্ডিং ।

সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ৩৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৩ টির, কমেছে ১৮৮ টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/আই

আরও পড়ুন...