জান্তা সরকারের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো যথেষ্ট নয় : সু চির সমর্থকরা

বিডিপ্রেস এজেন্সি ডেস্ক : মিয়ানমারের জান্তা সরকারের কিছু সামরিক কর্মকর্তার ওপর শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকেই যথেষ্ট নয় মনে করছে না ক্ষমতাচ্যুত সাবেক স্টেট কাউন্সিলর সু চির সমর্থকরা। তাদের মতে একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে উচ্ছেদ করে অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা নেওয়ার অপরাধে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। নিষেধাজ্ঞার আওতায় সামরিক নেতারা ছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসাও পড়বে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সরকারের এক বিলিয়ন তহবিলেও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের হাত দেওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হলো। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগও এতে সম্মতি দিয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লাইং এবং ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ সো উইনের ওপর বাড়তি নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে। এ দুই কর্মকর্তার ওপর অবশ্য ২০১৯ সালেই রোহিঙ্গা নির্যাতনের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন।

জান্তা সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর ওয়াশিংটনের এটিই প্রথম পদক্ষেপ। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনপ্রণেতারাও তাদের দেশগুলোর সরকার প্রধানদের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে মিয়ানমারের অবৈধ সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে ভাবছে ব্রিটেন

(১২ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনেও রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভকারীরা। এদিকে আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত এক চিকিৎসক তুলে নিয়ে গেছে নিরাপত্তা বাহিনী। তাকে কোথায় রাখা হয়েছে নিশ্চিত করেনি।

২৯ বছর বয়সী সু চির এক সমর্থক মোয়ে থাল বলেন, মিয়ানমারের সামরিক অভুত্থ্যানের পর থেকে আমরা প্রতিটি রাত-দিন কষ্টে কাটাচ্ছি। এর অবসানে কঠোর পদেক্ষপ নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ও সেনাপ্রধানকে শাস্তির আওতায় আনা জরুরি।’

গত ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক বাহিনী। পাশাপাশি সু চিসহ অনেক আইনপ্রণেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে গত কয়েক দিন ধরেই আন্দোলন করে আসছে দেশটির সাধারণ মানুষ।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/আই

আরও পড়ুন...