খালিয়াজুরীতে বিস্তীর্ণ অনাবাদি জমি আবাদ করার রেকর্ড

খালিয়াজুরীতে বিস্তীর্ণ অনাবাদি জমি আবাদ করার রেকর্ড–বিডিপ্রেস এজেন্সি। 

মহসিন মিয়া,বিডিপ্রেস এজেন্সি,নেত্রকোনা : নেত্রকোনার হাওরদ্বীপ খালিয়াজুরী উপজেলায় যুগ যুগ ধরে অনাবাদি থাকা বিস্তীর্ণ জমি এবার আবাদের আওতায় আনার রেকর্ড গড়ে তোলা হয়েছে। এ উপজেলায় রবি শস্য করার উপযোগী ১২শ ৫০ হেক্টর পতিত জমিতে কখনো আবাদ করা না হলেও এবার এসব জমির ৯শ ৭০ হেক্টর জুড়ে চাষাবাদ করা হয়েছে মিষ্টি কুমড়া, বাদাম, আলু, গম, সরিষাসহ নানান রকম শাক-সবজি। স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন আর কৃষি বিভাগের বিশেষ উদ্যোগে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে এবং সরকারি ভাবে সার ও বীজ প্রনোদনা দেওয়ার মাধ্যমে এসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনা হয়েছে এসব তথ্য বিডিপ্রেস এজেন্সিকে নিশ্চিত করেন খালিয়াজুরী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান।

খালিয়াজুরীতে বিস্তীর্ণ অনাবাদি জমি আবাদ করার রেকর্ড–বিডিপ্রেস এজেন্সি।

তিনি বলেন, খালিয়াজুরী উপজেলায় রবি শস্য আবাদের লক্ষমাত্রা ইতিপূর্বে কখনো পূরণ হয়নি। কিন্তু এবার বিশেষ ওই উদ্যোগ নেয়ার ফলে এখানে ওই শস্য আবাদ হয়েছে লক্ষমাত্রার চেয়েও কয়েকশ হেক্টর বেশি পরিমান জমিতে। খালিয়াজুরী উপজেলার নূরপুরবোয়ালী গ্রামের বেকার যুবক সুলতান মাহমুদ (৩৮) ও মোজাম্মেল হক (৪০) জানান, তাদের গ্রামের পাশে স্থায়ী ভাবে পতিত ছিল রবি শস্য আবাদযোগ্য ১৩ একর জমি।

এবার তারা মিলে প্রায় ৪ লাখ টাকা ব্যায় করে এখানে চাষ করেছেন মিষ্টি কুমড়া। এ ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে তাদের অন্তত ১২ লাখ টাকা আয় হবে বলে তারা আশাবাদি। খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ এইচ এম আরিফুল ইসলাম বিডিপ্রেস এজেন্সিকে বলেন, এ উপজেলায় সরকারি খাস জমি ছাড়াও ব্যাক্তি মালিকানা বিস্তীর্ণ পরিমান জমি যুগ যুগ ধরে পতিত ছিল। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে এসব পতিত জমি আবাদের আওতায় আনাই ছিল আমাদের জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের লক্ষ।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/নুসহাই

আরও পড়ুন...