“করোনা র্নিমূলে দরকার সচেতনতা, সৃষ্টিকর্তাকে ডাকা”

প্রতীকি ছবি। 

তাসবির ইকবাল : একটু শোনার কৌতূহল জাগলেই দেশ বিদেশের অনেকেই বলাবলি করে আমরা নাকি আজব জাতি।আবার কেউ বলে অদ্ভুত এক অস্থির জাতী।আমাদের প্রায় সকলের কয়কথা,কায় কারবার দেখলে মনে হয় না আমরা কেউ লেখাপড়া জানা কোন সচেতন জাতি।আমাদের সব কিছুতেই যেন থাকে অতি রঞ্জিত বাড়াবাড়ি,দোষাদোষী,গলাবাজি,সত্য গোপনের দৌড়াদৌড়ি।আমরা শুধু জানি অভিশাপ কুঁড়াতে।আমরা শুধু পারি সমগ্র বাংলাদেশকে কান্না আর দীর্ঘ নি:শ্বাসের স্রোতে ভাসিয়ে দিতে।আমি ঘর বন্দী, তাই অনেক ভাবাভাবির সময় পেয়ে হিসেব করে দেখলাম বাংলাদেশ থেকে আমি পেলাম কি?,আপনি পেলেন কি?, দেশে করোনার তান্ডব চলছে।আর একটা মাত্র ভাইরাসের মোকাবেলা করতে যেয়ে খোলাসা হয়ে গেছে দু:খে সুখে পরস্পরে আমরা কতটুকু আন্তরিক, দেশটা সব মিলিয়ে কতটুকু স্বয়ংসম্পন্ন,কতটুকু শক্তিশালী।

করোনার মহামারীর আঘাতে পুরো বিশ্ব কাঁদছে,সবকিছু লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।আর চোখের সামনে সবকিছু দেখেশুনে আমরা করছি কি? আমাদের ড্যামকেয়ার মেলামেশা,যত্রতত্র আড্ডা,যেমনখুশি উঠবস চলাফেরা দেখে মনে হয় না বাংলাদেশ একটি কঠিন ক্রান্তিকাল পার করছে।সকলের ভাবসাব দেখে মনে হচ্ছে করোনা ভাইরাসের সাথে আমাদের পুরনো জানাশুনা বন্ধুত্ব রয়েছে।ওরা আমাদের কাউকে কিচ্ছু বলবেনা।বরং খাতির যত্ন আদর করে কানে কানে বলবে ,আমরা মুসলিম বিদ্বেষী সকল দেশ গুলোকে শায়েস্তা করে বাংলাদেশে পিকনিক করে ৭ আসমানের উপর ফিরে যাব।আমরাও সেই অন্ধ বিশ্বাসে সব গেইট খুলে রাস্তাঘাট হাট বাজারে মিছিলের মত নেমে পরেছি।

অর্থাৎ মহামারী প্রতিরোধের সকল ব্যাবস্থা তছনছ করে দিয়েছি। জানিনা শেষ পরিনতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে।পীর আওলিয়া ফকির মিসকিন দিনরাত খেটে খাওয়া মানুষের দেশ বাংলাদেশ। পাপ পূণ্যের বিচারে পাপের ওজন ভারী হলেও সৃষ্টিকর্তাই ভরসা। সুতরাং আর দেরী নয়, চলুন সব ফেলে সব মতবিরোধ ভুলে গিয়ে যার যার প্রভুকে ডাকি কারণ এখন একমাত্র ভরসা তিনিই যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন।

লেখক : শিক্ষার্থী। 

বিডিপ্রেস এজেন্সি/সাব্বির

আরও পড়ুন...