কমছে করোনার সংক্রমণ, বাড়তে পারে বইমেলার সময়

ফাইল ফটো।

বিডিপ্রেস এজেন্সি ডেস্ক : চলমান মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় একুশে বইমেলার সময় বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

সোমবার বেলা ১১টায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে বইমেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে এবার অমর একুশে বইমেলার সময়সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। এখন যেভাবে কোভিডের সংক্রমণ কমছে সেভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে হয়তো আমরা মেলার সময়সীমা খানিকটা বাড়াতে পারব।

প্রকাশকদের প্রণোদনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মেলা হচ্ছে প্রকাশকদের মেলা। তারা একটি মেলার জন্য অনেকদিন অপেক্ষা করেন। আমরা কোনোভাবেই চাইবো না, মেলার প্রাণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হোক। গত বছর আমরা তাদের থেকে অর্ধেক ভাড়া নিয়েছি। আর এবার মেলার সময়সীমা যদি বাড়ানো হয় তাহলে আমরা মনে করি সেটি তাদের জন্য প্রণোদনা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য আছে ৩৫টি প্যাভিলিয়ন। মেলার মূল আয়তন সাত লাখ বর্গফুট।

করোনা মহামারির কারণে ২ সপ্তাহ পিছিয়ে যাওয়া অমর একুশে বইমেলা আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন ভার্চুয়ালি ১৪ দিনের বইমেলা উদ্বোধন করবেন।

সোমবার অমর একুশে বইমেলার দুই মাঠ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন প্রকাশনীর পক্ষ থেকে স্টল ও প্যাভিলিয়ন নির্মাণ কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। দিন-রাত সেখানে কর্মযজ্ঞ চলছে।

মেলা মাঠে উপস্থিত কয়েকজন প্রকাশক জানান, এবারও অনেকটা অগোছাল অবস্থাতেই মেলা শুরু হবে। যতই বলা হোক শুরুতেই গোছানো মেলা পাওয়া যাবে সেটা আসলে একটা স্বপ্ন। মেলা মাঠে এখনও এত কাজ বাকি যে, মেলা শুরু হওয়ার পর আরও কয়েকদিন লেগে যাবে গুছিয়ে উঠতে।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/টিএ

আরও পড়ুন...