ওয়ারিশান সনদ আর ছবি সত্যায়িত করতে টাকা দাবি ইউপি চেয়ারম্যানের

 


জিয়াউদ্দিন লিটন, বিডিপ্রেস এজেন্সি, বগুড়া: বগুড়ার শেরপুরে মহাসড়কের জমি অধিগ্রহনের কাজে জমির মালিক বা ওয়ারিশাদের সার্টিফিকেট ও ছবি সত্যায়িত করতে অতিরিক্ত অর্থের দাবী করে আসছে ইউপি চেয়ারম্যান।

এমন ঘটনায় উপজেলার ১০নং শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল-আমিনের বিরুদ্ধে গত ৯ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ২ শতাধিক ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগে জানা যায়, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ৪ লেনের কাজে জমি অধিগ্রহন করেছে সাসেক।মহাসড়ক সংলগ্ন বাসিন্দাদের বাড়ীঘর, প্রতিষ্ঠান ও গাছপালা ওই মহাসড়কের অধিগ্রহনের আওতায় পড়ে। এতে অধিগ্রহনকৃত জমির প্রকৃত ওয়ারিশানদের সার্টিফিকেট ও ছবি সত্যায়িত করার প্রয়োজন হয় সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে। এসব কাজে উপজেলার ১০ শাহ-বন্দেগী ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে ভুক্তভোগীরা গেলে সাসেক কর্তৃক প্রাপ্ত অর্থের শতকরা ৩ ভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে দিতে হবে দাবী করে। ভুক্তভোগী পার্সেন্টের টাকা দিতে অনিহা প্রকাশ করায় তিনি কোন সার্টিফিকেট ও ছবি সত্যায়িত করবে না জানিয়ে দেয় এবং নানা হয়রানি করে আসছে।

তবে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন বিহীন মহাসড়ক উন্নয়ন
কাজে অধিগ্রহন জমির অনুকুলে বরাদ্দ অর্থ প্রাপ্তি নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে ভুক্তভোগী জমির
মালিকেরা। অনৈতিকভাবে ইউপি চেয়ারম্যান আল-আমিনের অতিরিক্ত অর্থের দাবীর প্রতিকার চেয়ে গত ৯ আগস্ট শেরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ২ শতাধিক ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ, আব্দুস কুদ্দুস ভূইয়া, জহুরুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দিন, আব্দুল হাই, মোফাজ্জল হোসেন একাধিকরা জানান, তাদের জমি, বসতবাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনেক অংশই সম্প্রতি ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ৪ লেনের কাজে অধিগ্রহন হয়। এ কাজে সরকারিভাবে জমি ও প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে অর্থ পেতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের ওয়ারিশান সার্টিফিকেট ও ছবি সত্যায়ন প্রয়োজন হবে। তাই চেয়ারম্যন আল আমিনের কাছে ওইসব কাজে গেলে তিনি অধিগ্রহনকৃত জমির মোট অর্থ প্রাপ্তি শতকরা ৩ ভাগ তাকে দিতে হবে বলে দাবী করেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিনের ব্যাক্তিগত মুঠোফোন ০১৭১৬
০৭৭২৪৩ নম্বরের একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিডিপ্রেস এজেন্সি/টিআই

আরও পড়ুন...